সিটি ব্যাংকের ৯ মাসের মুনাফা ৮৬৭ কোটি টাকা, প্রবৃদ্ধি ২০%
২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসে সিটি ব্যাংকের সমন্বিত কর-পরবর্তী মুনাফা বেড়ে ৮৬৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি প্রায় ২০ শতাংশ। একই সময়ে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় ৪ টাকা ১৩ পয়সা থেকে বেড়ে ৪ টাকা ৯৬ পয়সা হয়েছে। বুধবার তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানায় ব্যাংকটি।

ছবি : ছবি : সংগৃহীত২৪ঘন্টা অনলাইন: ২৪ঘন্টা অনলাইন : চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে আর্থিক পারফরম্যান্সে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে সিটি ব্যাংক। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকটির সমন্বিত কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ৮৬৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মুনাফা বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। একই সঙ্গে বেড়েছে শেয়ারপ্রতি আয়ও।
৪ নভেম্বর২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসে সিটি ব্যাংকের সমন্বিত কর-পরবর্তী মুনাফা বেড়ে ৮৬৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি প্রায় ২০ শতাংশ। একই সময়ে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় ৪ টাকা ১৩ পয়সা থেকে বেড়ে ৪ টাকা ৯৬ পয়সা হয়েছে। বুধবার তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানায় ব্যাংকটি। ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানায় ব্যাংকটি। অনলাইনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিনিয়োগকারী, শেয়ারবাজার বিশ্লেষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।
ব্যাংকের প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসে সমন্বিত কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল ৭২২ কোটি ১৯ লাখ টাকা। চলতি বছরের একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে মুনাফা বেড়েছে ১৪৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা।
মুনাফার পাশাপাশি শেয়ারপ্রতি আয়েও ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর সময়ে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৯৬ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ডিলিউটেড ইপিএস ছিল ৪ টাকা ১৩ পয়সা।
আর্থিক প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে সিটি ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) মো. মাহবুবুর রহমান ব্যাংকের আর্থিক কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
অন্যদিকে, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসরুর আরেফিন প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক কৌশলগত অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হোলসেল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান মেসবাউল আসীফ সিদ্দিকী এবং প্রধান ঝুঁকি কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফিরোজ আলম।
অনুষ্ঠানের প্রশ্নোত্তর পর্বে বিনিয়োগকারী ও শেয়ার বিশ্লেষকেরা ব্যাংকের আর্থিক কার্যক্রম, ব্যবসায়িক অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা সেসব প্রশ্নের উত্তর দেন।
সিটি ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাংকটির কার্যক্রম ও অগ্রগতি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি করেছে। আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের পাশাপাশি এ ধরনের আয়োজন বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে স্বচ্ছ যোগাযোগ ও সম্পর্ক উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে মনে করছে ব্যাংকটি।
প্রথম নয় মাসে মুনাফা ও শেয়ারপ্রতি আয় বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে চলতি বছরে আর্থিক অগ্রগতির ইতিবাচক চিত্র তুলে ধরেছে সিটি ব্যাংক।


