২৪ঘণ্টা - 24Ghonta

লোড হচ্ছে...

জাতীয়

শেকৃবি শিক্ষার্থীদের ফের সড়ক অবরোধ, বন্ধ শিক্ষা কার্যক্রম

পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তরের দাবিতে আবারও রাজধানীর চীন মৈত্রী সিগন্যাল অবরোধ করেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। বুধবার বেলা ১১টা থেকে তাদের এ কর্মসূচি শুরু হয়। এর আগে অনির্দিষ্টকালের শাটডাউন ঘোষণা করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। মাঠের স্থাপনা অপসারণ ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতেও আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

৪ নভেম্বর, ২০২৬ এ ১৭:১৭
শেকৃবি শিক্ষার্থীদের ফের সড়ক অবরোধ, বন্ধ শিক্ষা কার্যক্রম
ছবি : ছবি : সংগৃহীত

২৪ঘন্টা অনলাইন: ২৪ঘন্টা অনলাইন : ৪ নভেম্বর বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা স্ট্যান্ডের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বের হন আন্দোলনকারীরা। পরে তারা চীন মৈত্রী সিগন্যালে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। এতে ওই এলাকায় যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।

আন্দোলনকারীরা শুধু সড়ক অবরোধেই সীমাবদ্ধ থাকছেন না। শেরেবাংলা নগরের গণপূর্ত কমপ্লেক্সের সামনে কুশপুত্তলিকা দাহ করারও ঘোষণা দিয়েছেন তারা। পুরোনো গবেষণার মাঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া এবং মাঠের স্থাপনা অপসারণের দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে মঙ্গলবার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এক মতবিনিময় সভায় আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সভায় শিক্ষার্থীরা সব পর্যায়ের পরীক্ষা বর্জন এবং বেলা ১১টার পর কোনো ক্লাসে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানান।

পরে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ব্যাচের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা একত্রিত হন। সেখান থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর ফলে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

আন্দোলনের সূত্রপাত গত ২৭ অক্টোবর। শিক্ষার্থীদের দাবি, রাজধানীর পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠটি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সম্পত্তি। তাই মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।

ওই দিন মাঠে সচিবালয় নির্মাণের উদ্দেশ্যে মাটি পরীক্ষার কাজ চলার সময় পরীক্ষার যন্ত্রপাতি ও গাড়ি জব্দ করে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন মাঠে মেলা বন্ধের আলটিমেটাম দেন তারা। এরপর মাঠের বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

পরিস্থিতির মধ্যে গত ২৯ অক্টোবর সড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। একই দিন জাতীয় যুব মেলাসহ মাঠে চলমান সব ধরনের মেলা স্থগিতের ঘোষণা দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

তবে মেলা স্থগিতের পরও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামেনি। মাঠের স্থাপনা অপসারণ না করা এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অজ্ঞাতনামা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে গত ২ নভেম্বর আরও কঠোর কর্মসূচিতে যান তারা। ওই দিন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মাঠটি নিজেদের দখলে নেন।

গবেষণার মাঠের মালিকানা ও হস্তান্তর নিয়ে শুরু হওয়া বিরোধ এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ এবং রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবরোধ পর্যন্ত গড়িয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে রয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

#জাতীয়#সংবাদ
শেয়ার করুন
আমাদের অনুসরণ করুন Facebook YouTube X Instagram