২৪ঘন্টা অনলাইন: ভারতে সাহাবিদের প্রথম আগমন
আল্লাহর অসীম অনুগ্রহ এবং তাঁর ২৩ বছরের অবিরাম চেষ্টায় পুরো আরব উপদ্বীপে ইসলামের আলো ছড়িয়ে পড়ে। তাঁরা শুধু ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নেননি, বরং নবীজি (সা.)-এর বরকতময় সান্নিধ্য এবং শিক্ষায় মুসলিম উম্মাহর জন্য আদর্শ মানুষে পরিণত হয়েছেন। তাঁরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শিক্ষা ও আদর্শকে এমনভাবে ধারণ করেছিলেন যে স্বয়ং আল্লাহ পবিত্র কোরআনে তাঁদের প্রতি সন্তুষ্টির ঘোষণা দিয়েছেন।

২৪ঘন্টা অনলাইন: ২৪ঘণ্টা অনলাইন : নবুয়ত লাভের পর রাসুলুল্লাহ (সা.) আরব উপদ্বীপের কাফির, মুশরিক, ইহুদি ও খ্রিস্টান সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের চরম বিরোধিতার মুখোমুখি হন। তাঁর প্রধান প্রচেষ্টা ছিল এসব মানুষকে ইসলামের ছায়াতলে নিয়ে আসা।
আল্লাহর অসীম অনুগ্রহ এবং তাঁর ২৩ বছরের অবিরাম চেষ্টায় পুরো আরব উপদ্বীপে ইসলামের আলো ছড়িয়ে পড়ে।
তাঁরা শুধু ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নেননি, বরং নবীজি (সা.)-এর বরকতময় সান্নিধ্য এবং শিক্ষায় মুসলিম উম্মাহর জন্য আদর্শ মানুষে পরিণত হয়েছেন। তাঁরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শিক্ষা ও আদর্শকে এমনভাবে ধারণ করেছিলেন যে স্বয়ং আল্লাহ পবিত্র কোরআনে তাঁদের প্রতি সন্তুষ্টির ঘোষণা দিয়েছেন। মহানবী (সা.) পৃথিবী থেকে বিদায় গ্রহণের পর তাঁরা দ্বিনের প্রচার ও প্রসারকে নিজেদের মিশন হিসেবে গ্রহণ করেন।
তাঁরা সমগ্র পৃথিবীর সামনে ইসলামের সুমহান পতাকাকে সমুন্নত করেন।
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তেকালের পর আবু বকর সিদ্দিক (রা.) মুসলিম জাহানের খলিফা মনোনীত হন, কিন্তু সংক্ষিপ্ত শাসনকালে তাঁকে মুরতাদদের ফিতনার মতো ভয়ানক সংকট মোকাবেলা করতে হয়েছিল। ফলে তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের প্রতি মনোযোগ দিতে পারেননি। আবু বকর (রা.)-এর পর মুসলিম জাহানের খলিফা হন ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)।
এর আগে অভ্যন্তরীণ সংকট কেটে যাওয়ায় তিনি আরব দুনিয়ার বাইরে ইসলামের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাঁর শাসনামলে ইসলামের বার্তা ও বিজয় নিশান দূর-দূরান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) খলিফা মনোনীত হওয়ার পর ১৫ হিজরিতে উসমান ইবনে আবুল আস (রা.)-কে বাহরাইন ও আম্মানের প্রশাসক নিযুক্ত করেন। উসমান (রা.) নিজের ভাই হাকাম বিন আবুল আস (রা.)-কে সেনাপতি নিযুক্ত করে ভারতবর্ষের বন্দরনগরী থানাহ ও ভুরুচের উদ্দেশে প্রেরণ করেন। অপর ভাই মুগিরা বিন আবুল আস (রা.)-এর নেতৃত্বে আরেকটি বাহিনী ডাভেলের (করাচি) উদ্দেশে পাঠান।


