শিল্পকলায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিল্পীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘বিস্ময়ের অভিযাত্রী, কাননের কোকিল’। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

২৪ঘন্টা অনলাইন: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিল্পীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘বিস্ময়ের অভিযাত্রী, কাননের কোকিল’। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুগ্মসচিব ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহা. হারুন-অর-রশীদ।
মহাপরিচালক বলেন, সাংস্কৃতিক অধিকার প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার। এখানে শারীরিক বা মানসিক সীমারেখা থাকা উচিত নয়। বরং সৃজনশীলতা ও প্রতিভা প্রকাশের মাধ্যম হওয়া উচিত তার মুল্যবোধের ভিত। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) আহ্বায়ক হেলাল খান।মুখ্য আলোচক ছিলেন সরকারি সংগীত কলেজের অধ্যাপক ড. আলেয়া পারভীন। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক, প্রশাসন ও অর্থ (অ: দা:) মো. সাইফুর রহমান।
সাংস্কৃতিক পর্বে ‘আয় তব সহচরি হাতে হাতে ধরি’ গানের সাথে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল-এর শিক্ষার্থীদের সমবেত নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা শুরু হয়। এরপর একক আবৃত্তি করেন শাহিন রেজা রাসেল। ‘এই রাঙ্গামাটির পথে লো’ গানের সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে ল্যাবরেটরি মডেল স্কুলের শিক্ষার্থীরা, ‘মন আমার দেহ ঘড়ি সন্ধান করি’ গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে সুইড বাংলাদেশ’র শিক্ষার্থীরা। এরপর একক সংগীত ‘আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন’ পরিবেশন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা কালচারাল অফিসার সুজন রহমান। একক সংগীত ‘আমার মনের কোণের বাইরে’ পরিবেশন করেন শারমিন আক্তার শিকু এবং ‘আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে’ পরিবেশন করেন সায়মা শারমিন ইমা। এরপর সমবেত নৃত্য ‘বিহুর এ লগন মধুর এ লগন’ গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে ইসপ্রেশান ওয়েলফেয়ার সোসাইটির শিল্পীরা।


