বিপর্যস্ত ফুসফুস ব্যায়ামেই কমে

২৪ঘণ্টা অনলাইন : শীতের সময়ে দূষণের মাত্রা বেড়ে যায়। বাতাসে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম দূষিত কণা সহজেই শ্বাসের সঙ্গে ঢুকে যায় ফুসফুসে। সেখানে গিয়ে জমা হতে থাকে এবং শ্বাসজনিত নানা রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। হাঁপানি, সিওপিডি অথবা নিউমোনিয়া রোগীদের এই সময়ে যন্ত্রণা বাড়ে। বয়স্ক ও শিশুরাও শ্বাসের সমস্যায় ভোগেন। কাজেই এই সময়ে ফুসফুস বাঁচাতে হলে কেবল ইনহেলারের উপরে ভরসা রাখলে চলবে না। নিয়মিত কিছু ‘ব্রিদিং এক্সারসাইজ়’ করতে হবে।
কী ধরনের শ্বাসের ব্যায়াম করলে হাঁচি-কাশির সমস্যা কমবে?
অ্যাব ব্রিদিং
পিঠ সোজা করে পদ্মাসনে বা সুখাসনে বসতে হবে। নাক দিয়ে গভীর ভাবে শ্বাস নিতে হবে। সাধ্যমতো কয়েক সেকেন্ড ধরে রেখে তার পর ধীরে ধীরে ছেড়ে দিতে হবে। পুরো পদ্ধতিটি সাত-আট বার করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, শ্বাস নেওয়ার সময়ে নাভি যেন বাইরের দিকে ঠেলে ওঠে এবং শ্বাস ছাড়ার সময়ে যেন তা ভিতরের দিকে ঢুকে যায়।
কপালভাতি
কপালভাতি রোজ অভ্যাস করতে পারেন। আরামদায়ক কোনও একটি আসনের ভঙ্গিতে বসুন, তা পদ্মাসন, বজ্রাসন বা সুখাসনও হতে পারে। মাথা ও মেরুদণ্ড সোজা রাখুন। চোখ বন্ধ করে আরামদায়ক অবস্থায় রাখুন গোটা শরীর। স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে শ্বাস নিন। শ্বাস ছাড়ার সময় পেটের পেশীর উপর চাপ দিতে হবে। দ্রুত শ্বাস নিতে হবে ও ছাড়তে হবে। সবে সবে শুরু করলে প্রতি দশ বারে একটি সেট করুন। পাঁচটি সেটে সম্পূর্ণ হয় এই প্রাণায়ামের অভ্যাস।
ভুজঙ্গাসন
ম্যাটে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। এ বার হাতের তালু মেঝের উপর ভর দিয়ে পাঁজরের দুই পাশে রাখুন। এর পর কোমর থেকে পা পর্যন্ত মাটিতে রেখে হাতের তালুর উপর ভর দিয়ে বাকি শরীরটা ধীরে ধীরে উপরের দিতে তুলুন। এর পর মাথা বেঁকিয়ে উপরের দিকে তাকান। এই ভঙ্গিতে ২০-৩০ সেকেন্ড থাকার পর পূর্বের অবস্থায় ফিরে যান। প্রথম দিকে এই আসন তিন বার করুন। একে বলা হয় ভুজঙ্গাসান। নিয়মিত করলে উপকার পাবেন।
