আলোচিত❯
test dev testingতিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাসtest dev testingতিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাস
ব্রেকিং নিউজ
তিন ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ ৪ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প
কৃষি সমাচার

আমন ধান রোপণে ব্যস্ত কৃষকরা

Anisur Rahman28-08-2026 09:31:07 PMদেখেছেন 74 বার
শেয়ার করুন
আমাদের অনুসরণ করুন Facebook YouTube X Instagram
আমন ধান রোপণে ব্যস্ত  কৃষকরা

২৪ঘণ্টা  অনলাইন : জেলার কৃষকরা রোপা আমন ধান চাষে ব্যস্ত সময় অতিক্রম করছেন। অনুকূল আবহাওয়া, উপকরণের সহজলভ্যতা, নতুন জাতের ধানের সম্প্রসারণ, কৃষি বিভাগের প্রণোদনা ও পরামর্শ প্রদান এবং প্রদর্শনী খামার স্থাপন পরিকল্পনার মাধ্যমে বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠছে আমন মৌসুম।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ইতোমধ্যে ৪৫ হাজার ৮৬১ হেক্টর জমিতে ধানের চারা রোপণ করা হয়েছে। এরমধ্যে উফশী জাতের ৪৩ হাজার ৭৮৩ হেক্টর, হাইব্রীড জাতের এক হাজার ৯০২ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ১৭৬ হেক্টর। চলতি বছর জেলায় ৭৭ হাজার ১০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নাটোর সদর উপজেলার মোহনপুর এলাকার কৃষক আহমেদুল কবীর বাসস’কে জানান, আমন ধান চাষের অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করছে। বীজতলায় চারা নিজেই তৈরি করে চার বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপণ করেছি। এরমধ্যে দুই বিঘাতে মিনিকেট এবং দুই বিঘাতে কাজললতা। তিনবার করে জমি চাষ দিয়ে জমি প্রস্তুত এবং রোপণে বিঘা প্রতি কৃষি শ্রমিকের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫ হাজার টাকা।

শস্য ভান্ডার খ্যাত চলনবিল এলাকার কৈগ্রামের কৃষক মো. তৌফিকুজ্জামান জানান, জমিতে সুগন্ধী জাতের ব্রি ধান-৩৪ এবং ব্রি ধান-৪৯ রোপন কাজ সম্পন্ন করেছি। এসব ধানের ফলন একটু কম হলেও বাজার মূল্য অনেক বেশী।চলনবিলের কুমিড়া গ্রামের আদর্শ কৃষক জুলফিকার আনাম জানান, বিলে পানি নেমে যাওয়ার অপেক্ষায় আছি। ১২ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষাবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

সিংড়া উপজেলা কৃষি অফিসার খন্দকার ফরিদ হাসান বাসস’কে জানান, উপজেলায় চলতি মৌসুমে ২৩ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে ধান রোপণ করা হয়েছে। বিলের পানি নেমে যাচ্ছে, অনেক কৃষক আউশ ধান কাটার পরে রোপা আমন ধান চাষ করবেন। অক্টোবর মাসের প্রথমার্ধ পর্যন্ত চাষাবাদ চলবে। চলনবিলের কৃষকরা উচ্চ মূল্যের কারণে পোলাও চাল অর্থাৎ সুগন্ধী ধান চাষাবাদে ঝুঁকেছেন। এছাড়া পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ জিংক ধান যেমন বিনাধান-৯০, বিনাধান-১০৩ ধান আবাদ করছেন। আমরা এসব ধান চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছি।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে জেলার ১৪ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের প্রত্যেককে এক বিঘা করে জমিতে রোপা আমন ধান চাষে প্রয়োজনীয় ৫ কেজি বীজ ও  ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার বিনামূল্যে প্রণোদনা হিসেবে প্রদান করেছে সরকার। এছাড়া পুষ্টিগুণে ভরপুর জিংক বায়োফর্টিফাইড জাতের বিনাধান-২০ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জেলার চারটি উপজেলায় মোট ৮শ’ জন কৃষককে প্রণোদনা হিসেবে বিনামূল্যে বীজ প্রদান করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বীজতলায় চারা তৈরি করে চারা রোপণ করা হয়েছে। পাশাপাশি চারটি উপজেলায় এক একর করে জমিতে বিনাধান-২০ প্রদর্শনী খামার স্থাপন করা হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নাটোর জেলা কার্যালয়ের উপ পরিচালক মো. হাবিবুল ইসলাম খান বাসস’কে জানান, রোপা আমন ধান চাষে অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করছে। ধানের চারা, সার, সেচসহ অন্যান্য সকল উপকরণের সহজলভ্যতা রয়েছে। সরকার কৃষকদের ধান চাষে উৎসাহিত করতে প্রণোদনা হিসেবে বীজ ও সার প্রদান করেছে। প্রদর্শনী খামারও স্থাপন করা হচ্ছে। উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। উপজেলা ও জেলা কৃষি দপ্তর সকল কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তত্ত্বাবধান করছে।