‘কভি হাঁ কভি না’ ছবিতে ফারহা এগিয়ে

২০ঘণ্টা অনলাইন : যদিও তিনি শেফালির নাম উল্লেখ করেননি, তবুও নেটিজেনরা মনে করেন, শেফালির মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে পায়েল অসংবেদনশীল আচরণ করেছেন। পায়েল ৯ জুলাই তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এই চ্যাটের স্ক্রিনশটও পোস্ট করেছেন, এর পরেই শুরু হয় জলঘোলা।
পরে সেই সাংবাদিক যখন বলেন, পেশাগত তাগিদ থেকে তিনি নিজের কাজটুকুই করছেন শুধু, তখন পায়েল ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমার মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ঠাট্টা করা সময়ে, আমি কোনও প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলাম? আমার সঙ্গে এমন আচরণ করার চেষ্টা করবে না। যাও, নিজের কাজ করো।’
শাহরুখ খানের জনপ্রিয় ছবি ‘কভি হাঁ কভি না’ মুক্তির ৩০ বছর পূর্ণ করেছে ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। এই ছবিতে ফারহা এবং শাহরুখ প্রথম একসঙ্গে কাজ করেন। ৩০ বছরের উপর ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাটিয়ে দেওয়ার পরেও, শাহরুখ খানকে নিয়ে যেমন উন্মাদনার শেষ নেই, তেমনই তাঁর বহু বিষয় আজও অজানা থেকে গিয়েছে অনুরাগীদের কাছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনই একটি ঘটনা ফাঁস করেছেন পরিচালক তথা নৃত্য নির্দেশক ফারহা খান।
সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকারে, ফারহা তাঁর কেরিয়ারের শুরুর দিকের দিনগুলিতে শাহরুখের সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে মুখ খুলেছেন। সেই সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেছেন। ফারহা জানিয়েছেন, শাহরুখের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কখনও-ই সহকর্মীর মতো নয়। বরং এই সম্পর্ক দু’জনের কাছে অনেক বেশি অর্থবহ এবং মজাদার।
যাইহোক, শাহরুখ খানের জনপ্রিয় ছবি ‘কভি হাঁ কভি না’ মুক্তির ৩০ বছর পূর্ণ করেছে ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। এই ছবিতে ফারহা এবং শাহরুখ প্রথম একসঙ্গে কাজ করেন। ছবির গানগুলির কোরিয়োগ্রাফি করেছিলেন ফারহা খান। সেই সময় থেকেই দু’জনের বন্ধুত্ব শুরু হয়। মজার বিষয় হল, এই ছবিটি শাহরুখ খান প্রথম সই করেছিলেন। কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে এই ছবি তৈরির কাজ দু’ বছর বন্ধ ছিল। যে কারণে শাহরুখের ‘দিওয়ানা’ ছবিটি প্রথমে মুক্তি পেয়েছিল। আর প্রথম ছবিতেই সকলের নজরে পড়েছিলেন কিং খান। কুন্দন শাহের ‘কভি হাঁ কভি না’ ছবিটিতে শাহরুখের সঙ্গে প্রথম বার কাজ করার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি, ফারহা একটি চাঞ্চল্যকর দাবিও করেছেন। তিনি বলেছেন, এই ছবির জন্য শাহরুখের চেয়ে তিনি বেশি পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন।
ফারহা সোজাসাপ্টা দাবি, ‘সেটে ওকে পেয়ে খুবই ভালো লেগেছিল। ও সব সময়ে ছুটে বেড়াত। আমাকেও খুব সাহায্য করত। কারণ কোনও সহকারী ছিল না। অল্প বাজেটের ছবি ছিল। আর কুন্দন তখন টাকা সাশ্রয় করছিল। যে কারণে আমি সহকারী নিতে পারিনি। মজার বিষয় হলো, সেই ছবিতে যারা যারা কাজ করেছিল, তাদের সবার চেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পেয়েছিলাম আমি, এমনকী শাহরুখের চেয়েও বেশি। শাহরুখ প্রায় ২৫ হাজার পেয়েছিল, যেখানে আমি প্রতিটি গানের জন্য ৫ হাজার করে পেয়েছিলাম। অর্থাৎ ছ’টি গানের জন্য মোট ৩০ হাজার টাকা পেয়েছিলাম।’
এর পর ফারহা-শাহরুখ জুটি ফের একসঙ্গ কাজ করেন ‘ম্যায় হুঁ না’ (২০০৪) ছবিতে। সেই ছবিতে ফারহা পরিচালক হিসেবে প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন। এর পর তাঁরা আরও দু’টি ছবিতে কাজ করেন, যেখানে ফারহা পরিচালক এবং শাহরুখ হিরো হিসেবে ছিলেন- ‘ওম শান্তি ওম’ (২০০৭) এবং ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ (২০১৪)।
