আলোচিত❯
test dev testingতিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাসtest dev testingতিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাস
ব্রেকিং নিউজ
তিন ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ ৪ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প
সারাদেশ

হিমাগারে আলু রেখে কেজিতে ৬ টাকা লোকসানে কৃষক

Tania Jaha2026-10-10 11:22:45 AMদেখেছেন 22 বার
শেয়ার করুন
আমাদের অনুসরণ করুন Facebook YouTube X Instagram
হিমাগারে আলু রেখে কেজিতে ৬ টাকা লোকসানে কৃষক

 

২৪ঘণ্টা অনলাইন: ভালো দামে বিক্রির আশায় হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করে বিপাকে পড়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। হিমাগার ভাড়া, পরিবহনসহ অন্যান্য খরচ মিলিয়ে প্রতি কেজি আলুর দাম পড়ছে ১৯ থেকে ২০ টাকা। অথচ বাজারে বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১৪ টাকা কেজি দরে। ফলে প্রতি কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।

কৃষক ও ব্যবসায়ীরা জানান, মৌসুমের শুরুতে মাঠ থেকে ১০ থেকে ১২ টাকা কেজি দরে আলু কেনাবেচা হয়েছে। পরে দাম বাড়ার আশায় অনেকে আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করেন। কিন্তু বাজারে চাহিদা কম থাকায় প্রত্যাশিত দামে আলু বিক্রি করতে পারছেন না তারা।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বেগুনবাড়ী এলাকার কৃষক আরমান হোসেন বলেন, আলুর দাম বাড়ার আশায় হিমাগারে আলু রেখেছিলেন। কিন্তু সংরক্ষণ ও অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন লোকসানে বিক্রি করতে হচ্ছে।

রানীশংকৈল উপজেলার কৃষক ও ব্যবসায়ী মো. ওহাব জানান, গত দুই-তিন মৌসুম ধরেই আলু চাষ ও সংরক্ষণ করে লোকসানের মুখে পড়ছেন তারা। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এতে তার পুঁজি হারিয়ে গেছে। আলুর বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের ব্যবসায়ী শামসুজ্জোহা বলেন, এ সময়ে হিমাগার থেকে প্রচুর আলু বাজারে আসার কথা থাকলেও চাহিদা কম থাকায় তা হচ্ছে না। এখনো প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আলু হিমাগারে মজুত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। দ্রুত এসব আলু বাজারজাত করা না গেলে লোকসান আরও বাড়বে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ঠাকুরগাঁওয়ে ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে আবাদ হয়েছে প্রায় ৩৭ হাজার হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে আগাম জাতের আলু চাষ হয়েছে প্রায় ১০ হাজার হেক্টরে।

জেলায় আলু সংরক্ষণের জন্য রয়েছে ১৯টি হিমাগার। এসব হিমাগারে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন আলু মজুত রয়েছে। বাজারে চাহিদা কম থাকায় আলু বের হচ্ছে ধীরগতিতে। এতে কৃষক, ব্যবসায়ী ও হিমাগার মালিকেরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

শাহী হিমাগারের ব্যবস্থাপক মো. আল আমিন বলেন, আলুর দাম কম থাকায় হিমাগার মালিকেরাও উদ্বিগ্ন। হিমাগার থেকে আলু বের না হলে কৃষক, ব্যবসায়ী ও মালিক—সব পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আলুর বাজারে মন্দার প্রভাব পড়েছে হিমাগারের শ্রমিকদের ওপরও। আলু ওঠানো-নামানোর কাজ কমে যাওয়ায় তাদের আয় কমেছে বলে জানিয়েছেন শ্রমিকেরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. আলমগীর কবির বলেন, লাভের আশায় কৃষকেরা আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে দাম কমে যাওয়ায় তারা লোকসানের মুখে পড়েছেন।

কৃষক ও ব্যবসায়ীরা লোকসান কমাতে দ্রুত আলু বাজারজাতের পাশাপাশি রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া গেলে হিমাগারে পড়ে থাকা আলু বিক্রির সুযোগ বাড়বে এবং ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কমানো সম্ভব হবে।