আলোচিত❯
তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাসঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত এলিভেটেড কর্ডলাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত: ডা. জাহেদতিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাসঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত এলিভেটেড কর্ডলাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত: ডা. জাহেদ
বিনোদন

দুর্গাপূজা সত্যিই আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর সময় : ঋতুপর্ণা

Anisur Rahman2026-10-01 12:53:06 AMদেখেছেন 78 বার
শেয়ার করুন
আমাদের অনুসরণ করুন Facebook YouTube X Instagram
দুর্গাপূজা সত্যিই আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর সময় : ঋতুপর্ণা

২৪ঘণ্টা  অনলাইন : ‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত দুর্গাপূজার ফ্যাশন ভাবনা, আবেগ এবং ব্যক্তিগত স্মৃতির কথা তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করে নিয়েছেন। অভিনেত্রীর পূজা ফ্যাশন ও ভাবনায় সাংস্কৃতিক শিকড় ও আবেগ জড়িত বলেও জানিয়েছেন তিনি। তার কাছে দুর্গাপূজা শুধু চার দিনের উৎসব নয়, এটি বাঙালির শিকড় ও অনন্য সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার। ছোটবেলা থেকেই পূজার প্রতি তার এই গভীর আবেগ একই রকম রয়ে গেছে। পূজার সাজে তিনি সবসময় সাবেক কিংবা ট্র্যাডিশনাল এবং এলিগেন্ট লুক পছন্দ করেন। বড় টিপ, চোখভরা কাজল এবং লাল-সাদা কিংবা হালকা রঙের সুতি শাড়ির সাধারণ সাজেই তিনি খুঁজে পান আসল বাঙালিয়ানা। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই বলেন এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী।

এবার পূজায় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত কেমন সাজবেন? কলকাতায় থাকবেন কি?— এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী বলেন, ‘দুর্গাপূজা আমার কাছে শুধু চার দিনের উৎসব নয়; এ আমাদের শিকড়, আমাদের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার, জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে থাকা এক আবেগ, যা কখনো পুরোনো হওয়ার নয়। 

তিনি বলেন, ছোট থেকে এই আবেগ একই রয়েছে। পূজার সাজ বলতে আমার পছন্দ বরাবরই একটু ট্র্যাডিশনাল অথচ এলিগেন্ট। বড় টিপ, চোখভরা কাজল আর সাদা-লাল বা নরম রঙের কটন শাড়ি— এই সহজ সাজেই যেন বাঙালিয়ানার আসল সৌন্দর্য ধরা পড়ে। খুব বেশি আড়ম্বর নয়, সাজে থাকুক নিজের একটা স্বতন্ত্র ছাপ বলেও জানান অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।

এই সময়ে কেনাকাটা করেন কি? উত্তরে তিনি বলেন, সত্যি বলতে— পূজার সময়ে আলাদা করে নিজের জন্য কেনাকাটা করার সময় খুব একটা পান না। কিন্তু শাড়ির প্রতি ভালোবাসাটা সারা বছরই থাকে। তাই বছরজুড়ে একটু-একটু করে সংগ্রহ হয়ে যায়। তিনি বলেন, অনেকেই ভালোবাসা দিয়ে আমার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা শাড়ি তৈরি করে দেন, সেগুলোর প্রত্যেকটির সঙ্গে জড়িয়ে থাকে আলাদা গল্প, আলাদা আবেগ; আলাদা ভালোবাসা।

তবে পূজায় সবাইকে কিছু দিতে আমার ভীষণ ভালো লাগে বলে জানিয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত । তিনি বলেন, আমার মায়ের দেওয়া উপহারগুলো ছিল সবচেয়ে প্রিয়। মা চলে যাওয়ার পর পূজায় উপহার পাওয়ার আনন্দটাও যেন বদলে গেছে। এখন কেউ আন্তরিক ভালোবাসা দিয়ে কিছু দিলে তার মধ্যে সেই মায়ের স্নেহেরই একটু ছোঁয়া খুঁজে পাই। তখন মন ভালো হয়ে যায়।

আর পূজার চারটি দিন তাই কোনো রুটিনে নয়— আড্ডা, ভালোবাসা, প্রেম, আনন্দ আর মায়ের আরাধনায় একসঙ্গে থাকতে চান এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, পূজার মধ্যে কোনো নিয়ম মানি না। এই সময়ে কোনো নিয়ম মানার মানেও হয় না। কোনো রুটিন মেনেও চলি না। এই কটা দিন তো আনন্দ করার সময়। অভিনেত্রী বলেন, ‘দুর্গাপূজা সত্যিই আমার জন্য বছরের সবচেয়ে সুন্দর একটা সময়। এটা আমাদের কালচারাল হেরিটেজ। আমাদের জীবনের অঙ্গ। তাই এই সময়ে আলাদা আনন্দ থাকে মনে।