আলোচিত❯
তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাসঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত এলিভেটেড কর্ডলাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত: ডা. জাহেদতিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাসঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত এলিভেটেড কর্ডলাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত: ডা. জাহেদ
ব্রেকিং নিউজ
তিন ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ ৪ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প
জীবন শৈলী

পাকস্থলীর অ্যাসিড কি রেজর ব্লেড গলিয়ে দেয়? জানুন আসল সত্য

Anisur Rahman2026-09-02 12:01:14 AMদেখেছেন 95 বার
শেয়ার করুন
আমাদের অনুসরণ করুন Facebook YouTube X Instagram
পাকস্থলীর অ্যাসিড কি রেজর ব্লেড গলিয়ে দেয়? জানুন আসল সত্য

২৪ঘণ্টা অনলাইন : রেজর ব্লেডের মতো ধাতব জিনিস পাকস্থলীতে গেলে কী হয়? পাকস্থলীর অ্যাসিড কি সত্যিই সেটিকে গলিয়ে ফেলতে পারে? বিষয়টি শুনতে অবাক করার মতো হলেও এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক গবেষণা। এনডিটিভির এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

১৯৯৭ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা কৃত্রিম পাকস্থলীর রসের মধ্যে স্টেইনলেস স্টিলের রেজর ব্লেড রেখে পরীক্ষা করেছিলেন। সেখানে দেখা যায়, দীর্ঘ সময় অ্যাসিডের সংস্পর্শে থাকলে ব্লেড দ্রুত ক্ষয় হতে শুরু করে। তবে এর অর্থ এই নয় যে মানুষের পাকস্থলীতে ঢোকার পর রেজর ব্লেড দ্রুত বা নিরাপদভাবে গলে যায়।

কীভাবে হয়েছিল পরীক্ষা?
গবেষণায় রেজর ব্লেড, ডিস্ক ব্যাটারি ও কয়েনকে প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কৃত্রিম পাকস্থলীর রসে রাখা হয়।এরপর নির্দিষ্ট সময় পরপর এসব ধাতব বস্তুর ওজন ও শারীরিক পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা হয়।গবেষণায় দেখা যায়, অ্যাসিডের মধ্যে যত বেশি সময় রাখা হয়েছে, রেজর ব্লেডের ক্ষয়ও তত বেড়েছে।

২৪ ঘণ্টায় কমে যায় ওজন
পরীক্ষায় দেখা যায়, ২৪ ঘণ্টা পর রেজর ব্লেডের ওজন মূল ওজনের প্রায় ৬৩ শতাংশে নেমে আসে। অর্থাৎ ওই সময়ের মধ্যে ব্লেড তার এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি ভর হারায়।এ ছাড়া ডাবল-এজড রেজর ব্লেড প্রায় ১৫ ঘণ্টা অ্যাসিডে থাকার পর এতটাই দুর্বল হয়ে যায় যে বিশেষ যন্ত্র দিয়ে সেটি ভাঙা সম্ভব হয়।

সিঙ্গেল-এজড ব্লেডের পেছনের মোটা অংশও তুলনামূলক দ্রুত ক্ষয় হয়। গবেষণায় সেটি প্রায় দুই ঘণ্টার মধ্যে সম্পূর্ণ ক্ষয় হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।অন্যদিকে, পরীক্ষায় ব্যবহৃত কয়েনের ওপর উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। ডিস্ক ব্যাটারির ক্ষেত্রেও ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত এর ভেতরের উপাদান বেরিয়ে আসার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তাহলে কি পাকস্থলী রেজর ব্লেড গলিয়ে ফেলে?
এখানেই রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গবেষণাটি কৃত্রিম পাকস্থলীর রস নিয়ে ল্যাবরেটরিতে করা হয়েছিল। বাস্তব মানুষের পাকস্থলীতে খাবার সাধারণত দীর্ঘ সময় অবস্থান করে না।ফলে ল্যাবের পরীক্ষার ফলকে সরাসরি মানুষের শরীরে প্রয়োগ করা ঠিক নয়। পাকস্থলীর অ্যাসিড ধাতুকে ক্ষয় করতে পারে—এটি সত্য। কিন্তু গিলে ফেলা রেজর ব্লেড দ্রুত বা নিরাপদভাবে গলে যাবে, এমন ধারণা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়।

ধারালো ধাতব বস্তু গিলে ফেললে কী হয়?
ধারালো কোনো বস্তু গিলে ফেলা অত্যন্ত বিপজ্জনক। এটি খাদ্যনালি বা পরিপাকতন্ত্রে গুরুতর ক্ষতি করতে পারে। এমনকি ভেতরে ছিদ্র, রক্তপাত বা সংক্রমণের মতো জটিলতাও হতে পারে।এ ধরনের ঘটনা ঘটলে পাকস্থলীর অ্যাসিড বস্তুটি গলিয়ে দেবে—এমন অপেক্ষা করা উচিত নয়। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। পরিস্থিতি অনুযায়ী চিকিৎসকেরা এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে বস্তুটি অপসারণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। উল্লেখ্য পাকস্থলীর অ্যাসিড ধাতুকে ক্ষয় করতে সক্ষম হলেও, রেজর ব্লেড গিলে ফেলা কখনোই নিরাপদ