পারফিউম ব্যবহারে লেয়ারিং পদ্ধতিতে

২৪ঘণ্টা. টিভি: মেকআপের ফিনিশিং টাচ হলো পারফিউমের ব্যবহার। মেকআপ করতে পছন্দ করেন না এমন মানুষেরও পারফিউম পছন্দ। পারফিউম একটা বিশেষ পদ্ধতিতে ব্যবহার করলে পেতে পারেন বিশেষ ধরনের সুগন্ধ। আর এই বিশেষ পদ্ধতিটা হলো পারফিউম লেয়ারিং। এতে দুটো বা তার বেশি ভিন্ন সুগন্ধি একসঙ্গে মিশিয়ে একটা নতুন ও নিজস্ব সিগনেচার সুগন্ধি তৈরি করা হয়।
পারফিউম লেয়ারিং করার জন্য আগে গায়ে সুগন্ধহীন কোনও ময়েশ্চারাইজ়ার বা বডি লোশন লাগিয়ে নিন। এতে সুগন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে। লেয়ারিং করার সময়ে প্রথমে উডি, ওরিয়েন্টাল বা ভারী সুগন্ধযুক্ত পারফিউম বা বডি স্প্রে বেস হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। তার পর স্ট্রং গন্ধের উপরে ফ্লোরাল বা সাইট্রাসের মতো হালকা সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারেন।
কবজি,ঘাড় ও কানের পিছনে স্প্রে ব্যবহার করলে পারফিউম স্টে করে তুলনামূলক ভাবে বেশি। দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য পারফিউম লেয়ারিং করার সময়ে হাল্কা, সতেজ এবং দীর্ঘস্থায়ী গন্ধ বেছে নেওয়া ভালো। অফিস বা প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য সাইট্রাস এবং উডি বেছে নিতে পারেন। প্রথমে হাল্কা চন্দন বা সিডারউডের মতো উডি বেস ব্যবহার করুন, তার পর উপরে লেবু বা বারগামটের সাইট্রাস নোট স্প্রে করুন। এটা আপনাকে দিনভর ফ্রেশ রাখবে। আবার ফ্লোরাল এবং মাস্কও ব্যবহার করতে পারেন।
নীচে একটা হালকা ভ্যানিলা লোশন লাগিয়ে নিন, তার উপর জুঁই বা গোলাপের মতো ফ্লোরাল সেন্ট ব্যবহার করলে খুব মিষ্টি গন্ধ পাবেন। অন্য দিকে অ্যাকুয়াটিক পারফিউমের সঙ্গে ফ্রেশ লিনেন বা গ্রিন টি-র সুবাস মেলালে ক্লান্তিহীন একটি বিশেষ অনুভূতি পাওয়া যায়।
বিশেষ অনুষ্ঠান, উৎসব বা রাতের পার্টির জন্য পারফিউম লেয়ারিং হতে হবে একটু জমকালো, গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী, যা ভিড়ের মধ্যেও আপনার উপস্থিতি জানান দেবে। এ ক্ষেত্রে প্রথমে একটা ভারী অ্যাম্বার পারফিউম ব্যবহার করুন। এর উপর জুঁই, রজনীগন্ধা বা গোলাপের মতো তীব্র ফ্লোরাল পারফিউম স্প্রে করুন।
এটা রাজকীয় একটা সুগন্ধ তৈরি করে। আবার নিচে চন্দন বা সিডারউডের বেস লাগিয়ে, তার উপর ভ্যানিলা, চকোলেট বা কফির মিষ্টি সুবাস লেয়ার করার কথাও ভাবতে পারেন। এটা শীতকালীন বা রাতের অনুষ্ঠানের জন্য দারুণ মানানসই। আবার দারচিনি বা গোলমরিচের মতো স্পাইসি নোটের সঙ্গে ব্ল্যাক মাস্কের কম্বিনেশন আপনাকে দেখাবে বোল্ড পার্সোনা। তবে লেয়ারিং করার সময়ে পারফিউম স্প্রে করার পর দুই কবজি একসঙ্গে ঘষবেন না। এতে সুগন্ধির সুক্ষ্ম অণুগুলো ভেঙে যায় এবং স্থায়ীত্ব কমে যায়।
