আলোচিত❯
তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাসঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত এলিভেটেড কর্ডলাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত: ডা. জাহেদতিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশরাষ্ট্র কাঠামো নয় শুধু চেয়ার বদল হয়েছে : হাসনাত আবদুল্লাহএনসিপির ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের পরিকল্পনাসরকার গঠনে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হয়নি : সুইডেনের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতারংপুরের পীরগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরাক্যামেরাসহ মুখের ওপর পড়ে গেলেন ডিওপি, আহত প্রিয়ন্তী উর্বীরূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুই ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনছয় বছরের বিরতি ভেঙে আবারও পর্দায় বিপাশাহাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যুযাযাবরে সজলের পর্দাসঙ্গী চাঁদনী শেখসারাক্ষণ খাবারের চিন্তা, নিয়ন্ত্রণে আনতে বদলান দৈনন্দিন অভ্যাসঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত এলিভেটেড কর্ডলাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত: ডা. জাহেদ
ব্রেকিং নিউজ
তিন ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ ৪ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প
আন্তর্জাতিক

কার কাছ থেকে কত ঋণ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

Anisur Rahman20-08-2026 11:32:10 PMদেখেছেন 73 বার
শেয়ার করুন
আমাদের অনুসরণ করুন Facebook YouTube X Instagram
কার কাছ থেকে কত ঋণ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২৪ঘণ্টা অনলাইন : ১৯ আগস্ট  অর্থমন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের মোট ঋণ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে গত বছরের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্রমবর্ধমান ঋণ বেশ কিছুদিন ধরেই একটি আসন্ন আর্থিক সংকট নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা করছেন যে, বিপুল পরিমাণ ঋণ গ্রহণ, বর্ধিত ব্যয় এবং কম করের এক মারাত্মক সংমিশ্রণ বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিকে সংকটে ফেলতে পারে।

অর্থ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশীয় ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে নেওয়া সরকারি ঋণ যুক্তরাষ্ট্রের মোট ঋণের ৮০ শতাংশ—প্রায় ৩২ ট্রিলিয়ন ডলার। পিটার জি পিটারসন ফাউন্ডেশনের বিশ্লেষণ অনুসারে, এই সরকারি ঋণের প্রায় ২১ ট্রিলিয়ন ডলার দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ঋণদাতার কাছে পাওনা, যার মধ্যে রয়েছে ফেডারেল রিজার্ভ (৪ দশমিক ৫২৮ ট্রিলিয়ন ডলার), যা ফেডারেল সুদের হারকে প্রভাবিত করতে এবং অর্থ সরবরাহ পরিচালনা করতে ট্রেজারি সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয় করে।

অন্যান্য ঋণদাতাদের মধ্যে রয়েছে মিউচুয়াল ফান্ড (৫ দশমিক ১৯৫ ট্রিলিয়ন ডলার), পেনশন ফান্ড (১ দশমিক ১৩৫ ট্রিলিয়ন ডলার), রাজ্য ও স্থানীয় সরকার (১ দশমিক ৬৩৬ ট্রিলিয়ন ডলার), বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আমানতকারী প্রতিষ্ঠান (২ দশমিক ০৮৩ ট্রিলিয়ন ডলার) এবং অন্যান্য কর্পোরেট ও ব্যক্তিগত ঋণদাতা (৬ দশমিক ৬৬০ ট্রিলিয়ন ডলার)।

আন্তর্জাতিকভাবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বেশ কয়েকটি দেশ এবং বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে ঋণী। ১৯৭০ সালে, মোট বিদেশি ঋণদাতাদের কাছে মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ শতাংশ, কিন্তু ২০২৫ সাল নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২ শতাংশে। এর অর্থ হলো, এই ঋণ মার্কিন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করতে সাহায্য করলেও দেশের আয়ের একটি বড় অংশ সুদ পরিশোধের আকারে বিদেশে চলে যাচ্ছে।

২০২৫ সাল নাগাদ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের ১ দশমিক ২০৩ ট্রিলিয়ন ডলার, যুক্তরাজ্যের ৮৮৯ বিলিয়ন ডলার, চীনের ৬৮৩ বিলিয়ন ডলার এবং  আরো ৩০টিরও বেশি অন্যান্য সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ক্রমবর্ধমান ঋণ যদি নিয়ন্ত্রণহীন থাকে, তবে তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অতি মুদ্রাস্ফীতি বা উচ্চ সুদের হারের মতো অর্থনৈতিক সংকট তৈরি করতে পারে। ঋণ যত বাড়তে থাকবে, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে বেসরকারি বিনিয়োগ কমে যাওয়ার ঝুঁকিও তত বাড়বে এবং এর ফলস্বরূপ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে যেতে পারে।