আইপিএলে পুরস্কারের বন্যায় ভাসলেন সূর্যবংশী

২৪ঘণ্টা অনলাইন: শিরোপা জিততে না পারলেও এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে সবার নজর কেড়েছেন রাজস্থান রয়্যালসের তরুণ ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের স্বীকৃতি হিসেবে এক মৌসুমে জিতে নিয়েছেন একাধিক মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার।
মাত্র ১৫ বছর বয়সী সূর্যবংশী ১৬ ইনিংসে ২৩৭.৩০ স্ট্রাইক রেটে ৭৭৬ রান করে হয়েছেন আসরের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক। তার ব্যাটে ভর করেই রাজস্থান রয়্যালস পৌঁছে যায় প্লে-অফের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে। যদিও সেখানে গুজরাট টাইটান্সের কাছে হেরে ফাইনালের স্বপ্ন ভেঙে যায় তাদের।
তবে টুর্নামেন্ট শেষে ব্যক্তিগত অর্জনে উজ্জ্বল ছিলেন সূর্যবংশী। তিনি জিতেছেন মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার (এমভিপি), অরেঞ্জ ক্যাপ এবং ইমার্জিং প্লেয়ার অব দ্য সিজন পুরস্কার। পাশাপাশি সুপার স্ট্রাইকার অব দ্য সিজন ও সুপার সিক্সেস অব দ্য সিজন পুরস্কারও তার ঝুলিতে গেছে।
রেকর্ড বইয়েও নাম লিখিয়েছেন এই তরুণ ব্যাটার। আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে একই মৌসুমে এমভিপি ও ইমার্জিং প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন তিনি। এছাড়া ২০১১ সালে ক্রিস গেইলের পর প্রথম ব্যাটার হিসেবে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ রান ও সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেট—দুই তালিকাতেই শীর্ষে অবস্থান করেছেন।
ছক্কার রেকর্ডেও ছাড়িয়ে গেছেন গেইলকে। এক মৌসুমে ৭২টি ছক্কা মেরে ভেঙেছেন গেইলের ৫৯ ছক্কার পুরোনো রেকর্ড। অন্যদিকে গুজরাট টাইটান্সের দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার কাগিসো রাবাদা ১৭ ম্যাচে ২৯ উইকেট নিয়ে জিতেছেন পার্পল ক্যাপ। আইপিএলে এটি তার দ্বিতীয় পার্পল ক্যাপ। এর আগে ২০২০ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে ৩০ উইকেট নিয়ে এই পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি।
পুরস্কার গ্রহণের পর সূর্যবংশী বলেন, “অনুভূতিটা অসাধারণ। যদিও সাক্ষাৎকার দিতে এসে একটু চাপ অনুভব করছি। এটি আমার জন্য গর্বের মুহূর্ত। আগামী মৌসুমেও আরও ভালো করার চেষ্টা করব।”
এবারের আইপিএল থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ হয়েছে বলেও জানান তিনি। সূর্যবংশীর ভাষায়, “প্রতিটি ম্যাচ একরকম নয়। ম্যাচ পরিস্থিতি বুঝে খেলতে হয় এবং দলের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেকে মানিয়ে নিতে হয়। এসব বিষয় আমি এই মৌসুমে শিখেছি। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ক্রিকেট খেলতে হলে ফিটনেসের ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে
